Home / Life Style / বিচিত্র সেক্স রীতিনীতি

বিচিত্র সেক্স রীতিনীতি




পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে আর এক প্রান্তে মানুষের সংস্কৃতি, রীতি-নীতি বদলে যায়। তেমনই বদলে যায় মানুষের যৌন চাহিদাও। প্রকৃতির নিয়ম মেনে কোথাও যেমন বিপরীত লিঙ্গকে বেছে নেয় অনেকে।

তেমনই আবার এরকমও উপজাতি এখনও রয়েছে যাদের কাছে সমকামীতাই স্বাভাবিক। আবার স্বাস্থ্যের ক্ষতি হয় সেই কারণে কেউ আবার শারীরিক সম্পর্কে আবদ্ধ হওয়ার সময়েও অন্তর্বাস পরে থাকেন। এ দুনিয়া বড়ই বিচিত্র। বিচিত্র মানুষের রীতিনীতিও। বিশ্বজুড়ে তেমনই কিছু অদ্ভুতুড়ে সেক্সুয়াল রীতিনীতি।

১. নিউগিনির ট্রব্রিয়ানদার উপজাতির মধ্যে বিশ্বাস, ৬ থেকে ১২ বছর বয়সের মধ্যেই শারীরিক সম্পর্ক শুরু করা উচিত।

২. অতীতে এটা বিশ্বাস ছিল যে নীল নদ মিশরের দেবতা অটমের ইজাকুলেশনের ফলে সৃষ্ট। এই বিশ্বাস থেকেই ফারাওরা এই নদীতে স্বমেহন করতেন।

৩. নেপালের কয়েকটি উপজাতি নিজেদের পরিবারের মধ্যে সেক্সুয়াল পার্টনার অদল-বদল করে নিতেন। একে বলে পলিঅ্যান্ড্রি। তাদের বিশ্বাস ছিল, এই রীতি উপজাতির পপুলেশনের ভারসাম্য বজায় রাখবে।

৪. ফ্রান্সের মারকিউসাস আইল্যান্ডের রীতি অনুযায়ী সেখানকার মানুষেরা নিজেদের পার্টনারকে অন্যের সঙ্গে যৌন সঙ্গমে লিপ্ত হতে দিতেন। এবং নিজের পার্টনারের সঙ্গে অন্যের সেক্স করার এই দৃশ্য তারা দেখতেন।

৫. নিউগিনির আর এক উপজাতি সাম্বিয়ানদের রীতি আবার অন্য রকম।
তারা ঋতুচক্রের সময় ছেলে এবং মেয়েদের সম্পূর্ণ আলাদা করে রাখে। আর এই সময় ওই উপজাতির শক্তিশালী যোদ্ধাদের বীর্য খেতে হয় মেয়েদের।

৬. মিশরের সিওয়া উপজাতির মধ্যে হোমসেক্সুয়ালিটি বা সমকামিতা শুধু সাধারণ বিষয়ই। দুই পুরুষ বা মহিলার মধ্যে জাঁকজমক করে দেওয়া হয়। এর কারণ অবশ্য এই উপজাতির মধ্যে সমকামীর সংখ্যাই বেশি।

৭. ব্রাজিলের মাহিনাকু গ্রামের লোকেরা পছন্দ মতো পার্টনার বেছে নেওয়ার জন্য খুল্লমখুল্লা অন্য লোকের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করেন। তবে কোনওরকম মারামারি নয়, উল্টে কে কত বড় মাছ উপহার দিতে পারবেন পছন্দের মহিলাকে তাই বিচার করা হয়।

৮. দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের দ্বীপ মাঙ্গাইয়ায় বৃদ্ধারা ১৩ বছরের কম বয়সী ছেলেদের সঙ্গে সেক্স করেন। উদ্দেশ্য? ছোটদের শেখানো কীভাবে পার্টনারকে খুশি করতে হয়।

৯. হাওয়াই দ্বীপে আবার প্রত্যেকেই নিজেদের জেনিটালের নামকরণ করেন। এমনকী ঈশ্বরের আরাধনার সময় নিজেদের যৌনাঙ্গের বিবরণ দেন। এটাই তাদের রীতি।

১০. ইন্দোনেশিয়ায় পণ উৎসবের সময় প্রত্যেক ব্যক্তিই তাদের স্ত্রী ছাড়া অন্য মহিলার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন।

১১. ভারতের ছত্তিসগড়ের মুরিয়া উপজাতিরা মানুষেরা একটা বয়সের পর একাধিক পার্টনারের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক রাখেন। কোনও সম্পর্কই আবেগে বাঁধা পছন্দ করে না এই উপজাতি।

১২. গ্রিসের এক উপজাতির মধ্যেও সমকামিতা প্রাধান্য পায়। বয়স্ক পুরুষের সঙ্গে কিশোরদের শারীরিক সম্পর্ক সেখানে উদযাপিত হয়।

১৩. আয়ারল্যান্ডের এক উপজাতির ধারণা পার্টনারের সঙ্গে সেক্স আদপে স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর। সে কারণে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের সময়েও অন্তর্বাস পরে থাকে পুরুষেরা।

১৪. জীবন সঙ্গী বেছে নেওয়ার জন্য কম্বোডিয়ার ক্রেয়াঙ্গ উপজাতিতে মেয়েদেরই প্রাধান্য দেওয়া হয়। বিয়ের আগে ‘লাভ হাট’তৈরি করে দেওয়া হয়। সেখানে প্রতিটি মেয়ে একাধিক পুরুষের সঙ্গে মিলিত হয়ে নিজেদের পার্টনার পছন্দ করেন।



Powered by themekiller.com